কেনায় সহায়তা
ক্রয়মূল্যের ১%–২%
সফল কেনায় প্রযোজ্য ফি, লিখিত চুক্তি অনুযায়ী সমাপ্তিতে প্রদেয়।
প্রবাসীদের জন্য
প্রবাসী ক্রেতারা বেশিরভাগ টাকা হারান বাজারে নয়, বরং এমন একজনের কাছে, যাঁকে যাচাই করা যায়নি। আমরা আপনার স্বাধীন প্রতিনিধি: আপনার চাহিদা অনুযায়ী সম্পত্তি খুঁজি, যাওয়া বা টাকা দেওয়ার আগে যাচাই করি, আপনার হয়ে দর কষাকষি করি, এবং চুক্তি, নিবন্ধন ও নামজারি সমন্বয় করি — প্রতিটি ধাপে WhatsApp ও ভিডিওতে আপনাকে জানিয়ে।
বাজেট, এলাকা, আয়তন ও উদ্দেশ্য — নিজে থাকা, ভাড়া, বিনিয়োগ বা নির্মাণ।
আমরা বিকল্প আনি এবং কেউ যাওয়ার আগে কাগজ যাচাই করি।
সেরা বিকল্পগুলোর সরাসরি ওয়াক-থ্রু, তারিখসহ ছবি ও ম্যাপ পিন।
আমরা আপনার হয়ে দর কষাকষি করি এবং দাম, সময়সূচি ও শর্ত লিখিত চুক্তিতে আনতে সাহায্য করি, যা আপনার আইনজীবী দেখেন।
কেউ আপনার হয়ে সই করলে আমমোক্তারনামা সঠিকভাবে করা হয়। পেমেন্ট বিক্রেতার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, ধাপে ধাপে, স্বাক্ষরিত কাগজের বিপরীতে।
দলিল নিবন্ধন, নামজারি ও খাজনা আপনার নামে, চাবি বা দখল হস্তান্তর, কপি আপনাকে পাঠানো।
ক্রয়মূল্যের ১%–২%
সফল কেনায় প্রযোজ্য ফি, লিখিত চুক্তি অনুযায়ী সমাপ্তিতে প্রদেয়।
৳৩,০০০ (বেসিক) থেকে ৳৩০,০০০ (পূর্ণ)
আলাদাভাবে; জমি যাচাই পেজ দেখুন।
৳৫,০০০–১৫,০০০
একবার, যদি আমমোক্তারের মাধ্যমে সই করেন।
৳৮,০০০–২৫,০০০ + সরকারি ফি
সরকারি ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি ও কর খরচ অনুযায়ী আলাদা দেখানো হয়।
আনুমানিক। ফি, কে দেবেন ও কখন প্রাপ্য — আপনার চুক্তিপত্রে লেখা থাকে। একই লেনদেনে আপনাকে না জানিয়ে বিক্রেতার কাছ থেকে দ্বিতীয় ফি নিই না।
হ্যাঁ — যাচাই, সরাসরি ভিডিও ভিজিট এবং নিজে সই না করলে সঠিকভাবে তৈরি ও নিবন্ধিত আমমোক্তারনামা দিয়ে। অনেক ক্রেতা পুরোটাই প্রবাস থেকে সম্পন্ন করেন।
সাধারণত না। কেনার পেমেন্ট বিক্রেতার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, স্বাক্ষরিত কাগজের বিপরীতে যায়। আপনার হয়ে টাকা ধরা বা পরিশোধ করতে বললে আলাদা লিখিত চুক্তি ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট লাগে।
এটি নির্দিষ্ট বিষয়ে একজন নামধারী ব্যক্তিকে আপনার পক্ষে কাজের ক্ষমতা দেয়। কেউ আপনার হয়ে সই বা নিবন্ধন করলেই শুধু লাগে। প্রবাসে সই করা আমমোক্তারনামায় সাধারণত বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সত্যায়ন ও দেশে আরও ধাপ লাগে; দেশ ও নথিভেদে নিয়ম ভিন্ন, তাই সই করার আগে আপনার আইনজীবীর সঙ্গে নিশ্চিত করি।
আমরা কাগজ ও সর্বশেষ রেকর্ডের সঙ্গে বিক্রেতার পরিচয় ও ক্ষমতা মিলিয়ে দেখি, এবং আর কারও অংশ বা দাবি আছে কিনা।
কাগজ, বিক্রেতা ও অফিসের ওপর নির্ভর করে। আগে যাচাই; পরে নিবন্ধন ও নামজারি। প্রতিটি ধাপে বাস্তবসম্মত আনুমানিক সময় জানাই।
সৎভাবে কেউ পারে না। আমরা দেখাই কী যাচাই হয়েছে, কী পাওয়া গেছে ও কোথায় যাচাই করা যায়নি। মালিকানার রেকর্ড ও অনুমোদন কর্তৃপক্ষের বিষয়।
হ্যাঁ — সেটাই প্রথম ধাপ। আপনি চাহিদা জানান, আমরা শর্টলিস্ট আনি।
নাম, WhatsApp নম্বর, দেশ ও সম্পত্তির অবস্থান দিলেই চলবে। আপনার বেছে নেওয়া সময়ে আমরা WhatsApp-এ কল করব।
আমরা SMS শুধু বাংলাদেশের নম্বরে পাঠাতে পারি — বিদেশের নম্বরে WhatsApp-এ যোগাযোগ হয়।

আপনি কী চান জানান — আমরা কেস খুলি, দায়িত্বশীল নির্ধারণ করি এবং ২ কর্মঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।