বেসিক কেয়ার
৳২,৯৯৯ / মাস
মাসে একবার ভিজিট, ছবি ও অবস্থার রিপোর্ট।
এটি বেছে নিনপ্রবাসীদের জন্য
ফাঁকা জমি দখল হয়ে যায়। ফাঁকা ফ্ল্যাটে স্যাঁতসেঁতে ভাব ও বকেয়া জমে। ভাড়ার ফ্ল্যাটে মাসের পর মাস ভাড়া হারায়। আমরা নির্দিষ্ট সময়ে পরিদর্শন করি, রেকর্ড রাখি, মেরামত ও ভাড়াটিয়া সমন্বয় করি, এবং তারিখসহ ছবি ও পরিষ্কার মাসিক রিপোর্ট পাঠাই — যাতে আপনার সম্পত্তির কী হচ্ছে সবসময় জানেন।
ধরন, অবস্থান, ফাঁকা নাকি ভাড়া, এবং কী নিয়ে চিন্তা।
ছবিসহ প্রথম ভিজিট, অবস্থার নোট ও জরুরি মেরামতের ছোট তালিকা।
কাজ শুরুর আগে পরিধি, ভিজিটের সময়সূচি, ফি এবং কোন বিষয়ে আপনার অনুমোদন লাগবে।
ভাড়াচুক্তিতে সই বা অফিসে আপনার হয়ে কাজের মতো ক্ষেত্রে সঠিকভাবে আমমোক্তারনামা করা হয়। শুধু ভিজিট ও রিপোর্টে আপনার লিখিত চুক্তিই যথেষ্ট।
সময়মতো ভিজিট, ভাড়াটিয়া ও মেরামত সমন্বয়, সমস্যা আগেভাগে আপনাকে জানানো।
তারিখসহ ছবি, ভিজিট লগ, ভাড়া ও খরচের বিবরণ এবং খোলা বিষয়।
৳২,৯৯৯ / মাস
মাসে একবার ভিজিট, ছবি ও অবস্থার রিপোর্ট।
এটি বেছে নিন৳৫,৯৯৯ / মাস
মাসে দুবার ভিজিট, ভাড়াটিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ, বিল নজরদারি ও মেরামত সমন্বয়।
এটি বেছে নিন৳৯,৯৯৯ / মাস
সাপ্তাহিক পরিদর্শন, বিস্তারিত রিপোর্ট ও জরুরি সমস্যার সমন্বয়।
এটি বেছে নিনমাসিক ভাড়ার ৫%–১০%
ভাড়াটিয়া ব্যবস্থাপনা, ভাড়ার হিসাব, বিল ও মেরামত সমন্বয়।
৳২,০০০–৫,০০০ / মাস
পরিদর্শন, বাতাস চলাচল ও ছবি।
৳৩,০০০–৮,০০০ / মাস
নির্ধারিত সাইট ভিজিট ও মাসিক রিপোর্ট।
আনুমানিক, মাসিক অগ্রিম। মেরামত, ইউটিলিটি বিল ও সরকারি বকেয়া অন্তর্ভুক্ত নয়; আমরা কোটেশন দিয়ে আগে আপনার অনুমোদন নিই। আলাদা লিখিত চুক্তি ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট না থাকলে আপনার হয়ে ভাড়া আদায় বা বিল পরিশোধ করি না।
আপনার প্ল্যান অনুযায়ী — মাসে একবার, দুবার বা সাপ্তাহিক — এবং অনুরোধে বাড়তি ভিজিট। প্রতিটি ভিজিটে তারিখসহ ছবি ও নোট।
সাধারণভাবে আমরা ভাড়ার হিসাব রাখি ও তাগাদা দিই, আর ভাড়াটিয়া আপনাকেই দেন। আমরা আদায় করে পাঠাব — এমন হলে আলাদা লিখিত চুক্তি ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট লাগে, এবং প্রতি মাসে বিবরণ।
পরিদর্শন ও রিপোর্টে লাগে না। আপনার হয়ে ভাড়াচুক্তিতে সই বা অফিসে কাজ করতে হলে লাগে। প্রবাসে সই করলে সাধারণত বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সত্যায়ন ও দেশে আরও ধাপ লাগে; আপনার আইনজীবীর সঙ্গে নিয়ম নিশ্চিত করি।
আপনি। আমরা স্থানীয় মিস্ত্রির কোটেশন নিই, আপনার অনুমোদন চাই, কাজ তদারকি করি ও ছবি পাঠাই। ছোট কাজে আপনি সীমা ঠিক করে দিতে পারেন, যার মধ্যে না জিজ্ঞেস করে খরচ করা যাবে।
আমরা তাগাদা দিই, সবকিছু নথিভুক্ত করি এবং আপনার বিকল্প জানাই। আইনি পদক্ষেপ আপনার অনুমোদনে আইনজীবীর মাধ্যমে।
হ্যাঁ, লিখিত চুক্তিতে নির্ধারিত নোটিশসহ। করা কাজের ফি ফেরতযোগ্য নয়।
আমরা ঢাকা ও আশপাশ দিয়ে শুরু করছি। আপনার সম্পত্তি অন্যত্র হলে জানান, আমরা সৎভাবে বলব দেখাশোনা করতে পারব কিনা।
WhatsApp কলে পরিধি ও পরিমাণ নিশ্চিত করে পেমেন্টের তথ্য জানাই। পেমেন্ট পেলে অর্ডার “পরিশোধিত” চিহ্নিত করি, আর ট্র্যাকিং পেজে অবস্থা দেখা যায়।
নাম, WhatsApp নম্বর, দেশ ও সম্পত্তির অবস্থান দিলেই চলবে। আপনার বেছে নেওয়া সময়ে আমরা WhatsApp-এ কল করব।
আমরা SMS শুধু বাংলাদেশের নম্বরে পাঠাতে পারি — বিদেশের নম্বরে WhatsApp-এ যোগাযোগ হয়।

আপনি কী চান জানান — আমরা কেস খুলি, দায়িত্বশীল নির্ধারণ করি এবং ২ কর্মঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।