প্রবাসীদের জন্য

প্রবাসে থেকে বাংলাদেশের সম্পত্তির দেখাশোনা করুন

ফাঁকা জমি দখল হয়ে যায়। ফাঁকা ফ্ল্যাটে স্যাঁতসেঁতে ভাব ও বকেয়া জমে। ভাড়ার ফ্ল্যাটে মাসের পর মাস ভাড়া হারায়। আমরা নির্দিষ্ট সময়ে পরিদর্শন করি, রেকর্ড রাখি, মেরামত ও ভাড়াটিয়া সমন্বয় করি, এবং তারিখসহ ছবি ও পরিষ্কার মাসিক রিপোর্ট পাঠাই — যাতে আপনার সম্পত্তির কী হচ্ছে সবসময় জানেন।

সম্পত্তির যত্ন শুরু করুন WhatsApp-এ কথা বলুন

← প্রবাসীদের সব সেবা

কার জন্য

  • আপনার ফাঁকা ফ্ল্যাট, প্লট বা বাড়ি আছে এবং স্যাঁতসেঁতে ভাব, দখল বা বেদখলের চিন্তা করেন।
  • আপনি সম্পত্তি ভাড়া দেন এবং নির্ভরযোগ্য ভাড়াটিয়া, ভাড়ার হিসাব ও মেরামত সামলাতে চান।
  • কোনো আত্মীয় “দেখে রাখছেন” এবং আপনি যথাযথ রেকর্ড চান।

আমরা কী করি

জমি ও প্লট

সাইট পর্যবেক্ষণনির্ধারিত সময়ে তারিখসহ ছবিসহ ভিজিট — দখল, ময়লা ফেলা বা সীমানা পরিবর্তন আগেই ধরতে।
সীমানা ও সাইনবোর্ডআপনার অনুমোদনে সীমানা খুঁটি, বেড়া ও নোটিশ বোর্ড।
খাজনা ও রেকর্ডখাজনা পরিশোধ ও রেকর্ড হালনাগাদ সমন্বয়; রসিদ সংরক্ষণ।

ফ্ল্যাট ও বাড়ি

ফাঁকা ফ্ল্যাটের যত্নবাতাস চলাচল, স্যাঁতসেঁতে ও লিক পরীক্ষা, পোকা নজরদারি, তালা ও মিটার দেখা, ছবি।
ভাড়াটিয়া ঠিক ও বাছাইবিজ্ঞাপন, পটভূমি ও রেফারেন্স যাচাই, লিখিত ভাড়া চুক্তি।
ভাড়া ও বকেয়াভাড়ার হিসাব ও তাগাদা; সার্ভিস চার্জ ও ইউটিলিটি বকেয়ার নজরদারি ও রিপোর্ট।
মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণস্থানীয় মিস্ত্রির কোটেশন, আপনার অনুমোদন, তদারকি করা কাজ ও ছবি।

বাণিজ্যিক, পার্কিং ও কৃষি জমি

দোকান ও অফিসভাড়ার কাগজ, ভাড়া পুনর্বিবেচনার স্মরণ ও নিয়মিত পরিদর্শন।
পার্কিং জায়গামাসিক ভাড়াটিয়া খোঁজা ও ব্যবস্থা নথিভুক্ত রাখা।
কৃষি জমিলিখিত চাষ বা ইজারা ব্যবস্থা ও নিয়মিত যাচাই।

প্রবাস থেকে কীভাবে হয়

  1. ১

    কী আছে জানান

    ধরন, অবস্থান, ফাঁকা নাকি ভাড়া, এবং কী নিয়ে চিন্তা।

  2. ২

    প্রাথমিক জরিপ

    ছবিসহ প্রথম ভিজিট, অবস্থার নোট ও জরুরি মেরামতের ছোট তালিকা।

  3. ৩

    লিখিত চুক্তি

    কাজ শুরুর আগে পরিধি, ভিজিটের সময়সূচি, ফি এবং কোন বিষয়ে আপনার অনুমোদন লাগবে।

  4. ৪

    ক্ষমতা, প্রয়োজনে

    ভাড়াচুক্তিতে সই বা অফিসে আপনার হয়ে কাজের মতো ক্ষেত্রে সঠিকভাবে আমমোক্তারনামা করা হয়। শুধু ভিজিট ও রিপোর্টে আপনার লিখিত চুক্তিই যথেষ্ট।

  5. ৫

    মাসিক সেবা

    সময়মতো ভিজিট, ভাড়াটিয়া ও মেরামত সমন্বয়, সমস্যা আগেভাগে আপনাকে জানানো।

  6. ৬

    মাসিক রিপোর্ট

    তারিখসহ ছবি, ভিজিট লগ, ভাড়া ও খরচের বিবরণ এবং খোলা বিষয়।

আপনি কী পাবেন

  • তারিখসহ ছবিসহ নির্ধারিত পরিদর্শন
  • মাসিক লিখিত রিপোর্ট ও খরচের বিবরণ
  • ভাড়াটিয়া বাছাই ও লিখিত ভাড়া চুক্তি
  • কাজের আগে কোটেশন ও আপনার অনুমোদনসহ মেরামত
  • বকেয়া, স্যাঁতসেঁতে ভাব, ক্ষতি বা দখলের আগাম সতর্কতা
  • কেস ম্যানেজারের WhatsApp লাইন

আপনার কাছ থেকে যা লাগবে

  • ঠিকানা, প্লট বা ফ্ল্যাটের তথ্য ও প্রবেশের ব্যবস্থা (চাবি, কেয়ারটেকার)
  • ভাড়া হলে বিদ্যমান ভাড়া চুক্তি
  • দলিল বা মালিকানার অন্য প্রমাণ
  • পাসপোর্ট বা এনআইডির কপি
  • আপনার নিয়ম: না জিজ্ঞেস করে কত পর্যন্ত খরচ করতে পারব

মূল্য

বেসিক কেয়ার

৳২,৯৯৯ / মাস

মাসে একবার ভিজিট, ছবি ও অবস্থার রিপোর্ট।

এটি বেছে নিন

স্ট্যান্ডার্ড কেয়ার

৳৫,৯৯৯ / মাস

মাসে দুবার ভিজিট, ভাড়াটিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ, বিল নজরদারি ও মেরামত সমন্বয়।

এটি বেছে নিন

প্রিমিয়াম কেয়ার

৳৯,৯৯৯ / মাস

সাপ্তাহিক পরিদর্শন, বিস্তারিত রিপোর্ট ও জরুরি সমস্যার সমন্বয়।

এটি বেছে নিন

ভাড়া দেওয়া ফ্ল্যাট ব্যবস্থাপনা

মাসিক ভাড়ার ৫%–১০%

ভাড়াটিয়া ব্যবস্থাপনা, ভাড়ার হিসাব, বিল ও মেরামত সমন্বয়।

ফাঁকা ফ্ল্যাট যত্ন

৳২,০০০–৫,০০০ / মাস

পরিদর্শন, বাতাস চলাচল ও ছবি।

জমি পর্যবেক্ষণ

৳৩,০০০–৮,০০০ / মাস

নির্ধারিত সাইট ভিজিট ও মাসিক রিপোর্ট।

আনুমানিক, মাসিক অগ্রিম। মেরামত, ইউটিলিটি বিল ও সরকারি বকেয়া অন্তর্ভুক্ত নয়; আমরা কোটেশন দিয়ে আগে আপনার অনুমোদন নিই। আলাদা লিখিত চুক্তি ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট না থাকলে আপনার হয়ে ভাড়া আদায় বা বিল পরিশোধ করি না।

পেমেন্ট কীভাবে হয়

  1. অর্ডারের সময় কেয়ার প্ল্যান বেছে নিন। প্রথম মাসের বিল আপনার কেসের সঙ্গে তৈরি হয়।
  2. আমরা WhatsApp-এ কল করি, সম্পত্তি দেখি বা পর্যালোচনা করি, প্ল্যান নিশ্চিত করি এবং পেমেন্টের তথ্য জানাই। পেমেন্ট নিশ্চিত হলে অর্ডার “পরিশোধিত” চিহ্নিত করি।
  3. পরের মাসগুলো মাসিক অগ্রিম বিল হয়; পরিমাণসহ WhatsApp-এ স্মরণ করিয়ে দিই।
  4. ভাড়াভিত্তিক প্ল্যান (ভাড়ার ৫%–১০%), ফাঁকা ফ্ল্যাট যত্ন ও জমি পর্যবেক্ষণ সম্পত্তি দেখার পর কোটেশনে — “নিশ্চিত নই” বেছে কী আছে জানান।
  5. মেরামত ও ইউটিলিটি বিল আলাদা; আমরা কোটেশন দিয়ে আগে আপনার অনুমোদন নিই।

প্রবাসী মালিকদের প্রশ্ন

কতবার পরিদর্শন করবেন?

আপনার প্ল্যান অনুযায়ী — মাসে একবার, দুবার বা সাপ্তাহিক — এবং অনুরোধে বাড়তি ভিজিট। প্রতিটি ভিজিটে তারিখসহ ছবি ও নোট।

আমার ভাড়া কি আপনারা আদায় করবেন?

সাধারণভাবে আমরা ভাড়ার হিসাব রাখি ও তাগাদা দিই, আর ভাড়াটিয়া আপনাকেই দেন। আমরা আদায় করে পাঠাব — এমন হলে আলাদা লিখিত চুক্তি ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট লাগে, এবং প্রতি মাসে বিবরণ।

আমার কি আমমোক্তারনামা লাগবে?

পরিদর্শন ও রিপোর্টে লাগে না। আপনার হয়ে ভাড়াচুক্তিতে সই বা অফিসে কাজ করতে হলে লাগে। প্রবাসে সই করলে সাধারণত বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সত্যায়ন ও দেশে আরও ধাপ লাগে; আপনার আইনজীবীর সঙ্গে নিয়ম নিশ্চিত করি।

মেরামতের খরচ কে দেবে?

আপনি। আমরা স্থানীয় মিস্ত্রির কোটেশন নিই, আপনার অনুমোদন চাই, কাজ তদারকি করি ও ছবি পাঠাই। ছোট কাজে আপনি সীমা ঠিক করে দিতে পারেন, যার মধ্যে না জিজ্ঞেস করে খরচ করা যাবে।

ভাড়াটিয়া ভাড়া বন্ধ করলে কী হবে?

আমরা তাগাদা দিই, সবকিছু নথিভুক্ত করি এবং আপনার বিকল্প জানাই। আইনি পদক্ষেপ আপনার অনুমোদনে আইনজীবীর মাধ্যমে।

আমি কি বাতিল করতে পারি?

হ্যাঁ, লিখিত চুক্তিতে নির্ধারিত নোটিশসহ। করা কাজের ফি ফেরতযোগ্য নয়।

কোন এলাকা কভার করেন?

আমরা ঢাকা ও আশপাশ দিয়ে শুরু করছি। আপনার সম্পত্তি অন্যত্র হলে জানান, আমরা সৎভাবে বলব দেখাশোনা করতে পারব কিনা।

প্রবাস থেকে কীভাবে পেমেন্ট করব?

WhatsApp কলে পরিধি ও পরিমাণ নিশ্চিত করে পেমেন্টের তথ্য জানাই। পেমেন্ট পেলে অর্ডার “পরিশোধিত” চিহ্নিত করি, আর ট্র্যাকিং পেজে অবস্থা দেখা যায়।

প্রবাসীদের অন্যান্য সেবা

কী দরকার জানান

নাম, WhatsApp নম্বর, দেশ ও সম্পত্তির অবস্থান দিলেই চলবে। আপনার বেছে নেওয়া সময়ে আমরা WhatsApp-এ কল করব।

WhatsApp-এ কথা বলুন

আমরা SMS শুধু বাংলাদেশের নম্বরে পাঠাতে পারি — বিদেশের নম্বরে WhatsApp-এ যোগাযোগ হয়।

প্যাকেজ বেছে নিন
আরও তথ্য দিন (ঐচ্ছিক)

এখানে পরিচয়পত্র বা দলিলের তথ্য আপলোড বা পেস্ট করবেন না।

কোনো সম্পত্তি নিয়ে ভাবছেন? আগে যাচাই করুন।

আপনি কী চান জানান — আমরা কেস খুলি, দায়িত্বশীল নির্ধারণ করি এবং ২ কর্মঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।