ক্রেতাদের প্রায়ই বলা হয়: “নামজারি হয়েছে, খাজনা দেওয়া আছে, সব ঠিক।” নামজারি ও খাজনার দাখিলা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এরা একটি সীমিত প্রশ্নের উত্তর দেয়।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। টাকা দেওয়ার আগে একজন যোগ্য আইনজীবীকে দিয়ে কাগজপত্র দেখিয়ে নিন।
নামজারি কী জানায়
নামজারি হস্তান্তর বা উত্তরাধিকারের পর রাজস্ব রেকর্ডে মালিকানার পরিবর্তন লিপিবদ্ধ করে। এতে বোঝা যায় কেউ আবেদন করেছিলেন এবং রেকর্ড হালনাগাদ হয়েছিল। বর্তমান খতিয়ানে বিক্রেতার নাম আছে — এর পক্ষে এটি কাজের প্রমাণ।
যা জানায় না
- যে দলিলের ভিত্তিতে নামজারি হয়েছিল তা বৈধ ছিল কিনা, বা বিক্রেতার নিজের মালিকানার উৎস ঠিক ছিল কিনা।
- জমি বন্ধক আছে কিনা, চলমান মামলায় আছে কিনা, বা সরকারি স্বার্থ আছে কিনা।
- কাগজের দাগ ও মাঠের জমি একই কিনা।
- উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমিতে সব ওয়ারিশ হিসাবে এসেছেন কিনা।
খাজনার দাখিলাও সীমিত
দাখিলা দেখায় একটি হোল্ডিংয়ের বিপরীতে কর দেওয়া হয়েছে। দেখে নিন এটি দলিল ও খতিয়ানের একই দাগ ও হোল্ডিংয়ের কিনা। ভিন্ন দাগের বা পুরনো দাখিলা থেকে বিশেষ কিছু প্রমাণ হয় না।
সব একসঙ্গে পড়ুন
ভালো পর্যালোচনা দেখে দলিলের ধারা, খতিয়ান, নামজারি ও খাজনা একই গল্প বলছে কিনা, এবং তারপর সেই অনুসন্ধানগুলো যোগ করে যেগুলোর উত্তর এই কাগজে নেই: রেজিস্ট্রি, বন্ধক, মামলা, সরকারি স্বার্থ ও পরিকল্পনা। ডিউ ডিলিজেন্স রিপোর্ট এসবই একসঙ্গে আনে।
